ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

যত কম বল প্রয়োগের মাধ্যমে কাজ করা যায়, ততই ভালো-সেনাপ্রধান

  • আপলোড সময় : ২৫-০২-২০২৫ ০১:১৪:১২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-০২-২০২৫ ০১:১৪:১২ অপরাহ্ন
যত কম বল প্রয়োগের মাধ্যমে কাজ করা যায়, ততই ভালো-সেনাপ্রধান
নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব না নেয়া পর্যন্ত দেশের শান্তি—শৃঙ্খলা রক্ষায় ধৈর্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে সেনা সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার—উজ—জামান। পাশাপাশি কাজের সময় অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি। গতকাল সোমবার সাভার সেনানিবাসের ফায়ারিং রেঞ্জে আয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফায়ারিং প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে, বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, বল প্রয়োগ করা যাবে না। মাঝে মাঝে এই কাজগুলো করতে যেয়ে কিছু বলপ্রয়োগ হয়ে যায়। বল প্রয়োগ করতে গেলেও অত্যন্ত, একেবারে প্রোপোরশনেট যেন হয় এবং যত কম বল প্রয়োগের মাধ্যমে এই কাজগুলো করা যায়, ততই ভালো, যোগ করেন তিনি। জেনারেল ওয়াকার বলেন, দেশ ও জাতির জন্য আমাদেরকে কাজ করে যেতে হবে , যতদিন না আমরা একটা নির্বাচিত সরকার পেয়ে যাই, দেশ একটা শান্তি—শৃঙ্খলার মধ্যে আসে, আমাদের এই কাজটা করে যেতে হবে। ততদিন পর্যন্ত, ধৈয্যের্র সাথে কাজটা করে যেতে হবে। দীর্ঘ সময় পর তিনি নিজে ফায়ারিং রেঞ্জে গুলি চালনোর অনুশীলনের অংশ নেবেন বলে জানান। সেনাপ্রধান উল্লেখ করেন, একজন সেনাসদস্যের পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনে ফায়ারিংয়ে দক্ষতা অত্যন্ত জরুরি। এটা মৌলিক প্রশিক্ষণের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রতিবছর এই প্রতিযোগিতা সেনাসদস্যদের কাঙি্ক্ষত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স